গৃহকর্মীকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ধর্ষিতার মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বন্দর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. বাবুল মিয়া|
বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল রাতে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ মদনপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে|
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন| তিনি জানান ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে|
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক জানান, ধর্ষণ মামলায় বাবুল মিয়াকে আদালতের শুনানি শেষে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে|
এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ধর্ষিত হওয়া গৃহকর্মী বিচার চাওয়ায়, তার মাথার চুল কেটে দেন অভিযুক্ত যুবদল নেতা বাবুল মিয়া এবং তার স্ত্রী| এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তাৎক্ষণিক বন্দর থানার ওসি নির্দেশে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে যান এবং বাবল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন| পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হলে তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়|
বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ বছর ধরে বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় মো.বাবুল মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে ভুক্তভোগী নারী|
আর্থিক অভাব অনটনের কারণে ভুক্তভোগী নারী বাড়িওয়ালার বাসার পাশাপাশি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকা কাজ করতো| এর ধারাবাহিকতা গত শুক্রবার সকালে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া উল্লেখিত গৃহপরিচারিকাকে ফোন করে তাড়াতাড়ি কাজে যেতে বলেন| গৃহপরিচারিকা বাসায় গিয়ে দেখে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া একা আছেন| আর কেউ বাসায় নেই| তখন ভুক্তভোগী রান্নাঘরে গিয়ে কাজ করতে থাকেন| একপর্যায়ে বাবুল মিয়া তাকে ডেকে রুমের ভেতর নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে| এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে জীবনে মেরে ফেলার ভয় দেখায় বাবুল|
পরবর্তীতে এ ঘটনা ধর্ষক বাবুলের স্ত্রী রোজিনা কে জানিয়ে বিচার দাবি করলে ওই সময় ধর্ষক বাড়িওয়ালা ও তার স্ত্রী রোজিনা বেগম মিলে ধর্ষিতা নারীকে বেদম ভাবে পিটিয়ে মাথার চুল কেটে দেয়|


































আপনার মতামত লিখুন :