আশির দশকের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা আব্দুস ছোবহান ওরফে পরান বাবুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১২ মে মঙ্গলবার বন্দর রেললাইন এলাকার তার নিজ বাসভবনে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিলে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও গুণগ্রাহীরা অংশ নেন। মরহুমের রুহের শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিতদের মাঝে তবররুক বিতরণ করা হয়।
৯ মে সকালে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সেদিন বাদ আছর জানাজা শেষে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তথ্যমতে, মৃত আজিম খান ও তারা বিবির সন্তান পরান বাবুর শিল্পী হওয়ার পেছনে বড় অবদান ছিল তার মায়ের। মায়ের উৎসাহেই তিনি নাম লিখিয়েছিলেন চলচ্চিত্র জগতে। তার নাম ছোবহান পরে পরান বাবু নামে সবাই ডাকতো তাকে। মহাকবি কায়কোবাদের রক্ত সম্পর্কীয় এই মানুষটি ‘রহিম রূপবান’ সহ অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করে কুড়িয়েছিলেন দর্শকপ্রিয়তা। কিন্তু পর্দার সেই রঙিন জগত ছেড়ে একদিন তিনি থিতু হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের বন্দরে। জীবনসঙ্গিনী মাতুন বিবিকে নিয়ে শুরু করেছিলেন এক লড়াকু সংসার জীবন।
সংসারের চাকা সচল রাখতে আদম ব্যবসায় নিজেকে নিয়োজিত করলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে শেষ জীবনে তাকে লড়তে হয়েছে চরম দারিদ্র্য ও জটিল ব্যাধির সাথে। তিন কন্যা ও এক পুত্রকে নিয়ে এক প্রকার নিভৃতেই কেটেছে এই গুণী শিল্পীর শেষ দিনগুলো। যে মানুষটি একসময় হাজারো মানুষকে বিনোদন দিয়েছেন, তাকেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে হয়েছে এক বুক হাহাকার নিয়ে।





































আপনার মতামত লিখুন :