গত ফেব্রুয়ারি মাসে সম্পন্ন হয়েছে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন নির্বাচন কমিশন। আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আযহার পর সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ গুলোর নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।
এমন খবরে ইতোমধ্যে বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নিজেদের মাঠ গুছাতে শুরু করেছেন। এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য সকল প্রার্থী প্রকাশ্যে না আসলেও নাম শোনা যাচ্ছে অনেকেরই। সেই ধারাবাহিকায় মুছাপুর ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনজনের নাম শোনা যাচ্ছে বেশ জোরেশোরে। এর মধ্যে মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাকুসদ হোসেন এর ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি পরিস্কার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে এই ইউনিয়ন থেকে আরো দুইজন ব্যক্তি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছেন। তারা হলেন বন্দর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ লিটন এবং ব্যবসায়ী আলী হোসেন।
হারুন অর রশিদ লিটন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি মহানগর কমিটি সদস্য। ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্ব দিয়ে ধীরে ধীরে তিনি ছাত্রদলের মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্র দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি বন্দর থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। ২০০২ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে বন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হোন। পরবর্তীতে ২০১৪-১৫ সালে তিনি বন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের নেতৃত্বে গঠিত মহানগর যুবদলের কমিটিতে দুই বছর সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বন্দর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পরে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের ভোটে তিনি বন্দর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনিও মুছাপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ জনেরা।
অপরদিকে আরেকজন সম্ভাব্য প্রার্থী হলেন আলী হোসেন। তিনি রাজনৈতিক ভাবে কোনো পদবীধারী না হলেও আসন্ন নির্বাচনে তিনিও চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব শেষ ২০২৪ সালে আয়োজিত মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন। এর মধ্যে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর আগে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন থেকে উপনির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া হয়ে ছিলো।




































আপনার মতামত লিখুন :