বিগত স্বৈরাচারী সরকারের পরোক্ষ মদতে দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল দখল ও ভরাট করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন, যে যত শক্তিশালীই হোক, সরকারি নদী, নালা, খাল, বিল ও জমি কেউ দখল করে রাখতে পারবে না।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে রূপগঞ্জ উপজেলার যাত্রামুড়া, ভূলতাসহ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। দিনব্যাপী নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রণী শেষ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, কোনো এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর পড়ে।
দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি লোক দেখানো কোনো কাজ করেননি বলেও দাবি করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছিলেন, সরকার গঠন করলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী খনন করা হবে। অনেক জায়গায় খালের ওপর শিল্পকারখানা ও ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। সেগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু বলেন, একসময় রূপগঞ্জে ৩০ হাজার মণ ধান উৎপাদিত হতো। এখন সেখানে ধান হয় না। এলাকাটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গত ১৭ বছর রূপগঞ্জকে ইচ্ছাকৃতভাবে পানিবন্দী করে রাখা হয়েছিল। দখল করে রূপগঞ্জবাসীকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খালগুলো পুনরুদ্ধার করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হবে।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জয়, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খোকন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, তারাবো পৌর বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল মতিন ভূইয়া ও যুবদল নেতা মামুন ভূঁইয়াসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।






































আপনার মতামত লিখুন :