‘‘দাবা একটি বুদ্ধির খেলা, চিন্তার খেলা। খেলাটি ক্রীড়া বিনোদন হলেও এর সাথে আমার জীবন খুব ঘনিষ্ঠ। দাবা আমাদের চিন্তা শক্তি বাড়ায়, ধৈর্য্য বাড়ায়। দাবা শেখায় কিভাবে বোর্ডে চালতে হবে, মানে আমাদের জীবনে কিভাবে চলতে হবে। একজন শিক্ষার্থীর প্রতিভা বিকাশে এবং জীবন গড়তে দাবা অত্যন্ত সহায়ক। শিক্ষার্থীদের বলব পড়াশোনার পাশাপাশি দাবা খেলবে। এতে তোমরা যেমন আনন্দ পাবে তেমনি জীবনেও সফল হবে।’’
নাহার চেস একাডেমির দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সরকারি তোলারাম কলেজের ব্যবস্থাপনার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাবরীনা ইয়াছমীন সাথী।
তিনি বলেন “নারায়ণগঞ্জের ক্ষুদে দাবাড়ুদের এ অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করি, এই প্রতিভাবান দাবাড়ুরা এক সময় দেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য বয়ে আনবে। সেদিন আমি গর্ববোধ করব।”
জাতীয় দাবা বিচারক ও দাবা প্রশিক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান রুমির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও দাবানুরাগী এডভোকেট আবু রায়হান, দৈনিক বিজয় পত্রিকার সম্পাদক ও লেখক সাব্বির আহমেদ সেন্টু এবং নাবা স্কুলের প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক সোনিয়া আজাদ।
আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে নাহার চেস একাডেমি আয়োজিত বিগত চারটি দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এগুলো হল- বিজয় দিবস দাবা প্রতিযোগিতা, নিউ ইয়ার রেপিড চেস টুর্নামেন্ট, এনসিএ প্রথম আন্তর্জাতিক রেপিড রেটিং দাবা প্রতিযোগিতা এবং নাহার চেস রেপিড দাবা প্রতিযোগিতা।
নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্কুলের ক্ষুদে বিজয়ী দাবাড়ুরা আজ অতিথিদের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেছে। এদের মধ্যে রয়েছে- নুসরাত হাসান নাবা, মোঃ রাহিব রহমান, মোঃ রোহান খান, রূপান্তর সৌর, আরিয়ান সামির আনান ও আশফাক সাফিন আহনাফ।
অনুষ্ঠানটি শহরের আমলাপাড়াস্থ নাহার চেস একাডেমির ক্রীড়াকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।









































আপনার মতামত লিখুন :