News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

৮ বছর পর আলোর মুখ দেখছে নার্সিং ইন্সটিটিউট


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১০:১০ পিএম ৮ বছর পর আলোর মুখ দেখছে নার্সিং ইন্সটিটিউট

প্রায় ৮ বছর পর এসে আবারো আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের নার্সিং ইন্সটিটিউট প্রকল্পের কাজ। খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের অভ্যন্তরে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পটি ঈদের পরে নতুন করে কাজ শুরু হতে যাচ্ছে নিশ্চিত করেছেন গণপূর্ত অধিদপ্তর। ৮ বছর আগে কাজ শুরু হওয়া ভবনটির বেজমেন্ট ও তিন তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই করা হয়েছে। অর্থ বরাদ্দের অভাবে প্রকল্পটির কাজ দীর্ঘ সময় ধরে আটকে ছিলো।

নতুন করে প্রকল্পটির কাজ শুরু করতে ইতোমধ্যে টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের পর থেকেই কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মোতালেব।

জানা যায়, হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমানের প্রচেষ্টায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালটিকে ৫০০শয্যায় উন্নীত করনের আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে  ২০১৭ সালের ২১ মার্চ একনেকের বৈঠকে এ হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের জুন মাসে হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করণের লক্ষ্যে নতুন ১৫ তলা ভবনের প্রথমধাপে ৭তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। পাশাপাশি আরো নার্সিং ইন্সটিটিউট প্রকল্পের কাজ একই সাথে শুরু করা হয়। প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো ২০কোটি টাকা।

দরপত্রের মাধ্যমে প্রকল্পটি ঢালি, এস-আর ও এহসান নামের তিনটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে যৌথ ভাবে কাজ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকল্পের অনুমোদিত বাজেটের বরাদ্দের অভাবে প্রকল্পটি এখন পর্যন্ত আলোর মুখ দেখতে পারেনি। করোনা মহামারি বাজেট স্বল্পতা সহ নানা কারণে কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হলেও অর্থ বরাদ্দের অভাবে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিলো।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্র জানান, নাসিং ইনস্টিটিউটের জন্য ২০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন হয়েছিল। কিন্তু কাজ করার জন্য ৯কোটি ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়ে ছিলো। যতটুকু অর্থ পাওয়া গিয়েছিলো তাই দিয়েই কাজ হয়েছে। বেজমেন্ট ও তিন তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই করা হয়েছিলো।