News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

তোলারাম কলেজের নবীন অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম তোলারাম কলেজের নবীন অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা

দীর্ঘদিন পর নারায়ণগঞ্জের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে নানা আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীই এই আয়োজন নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন।

জানা যায়, শুক্রবার ৮ মে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত কলেজ প্রাঙ্গনে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে দেশের প্রখ্যাত শিল্পী গোষ্ঠী লালন ব্যান্ডের পরিবেশন। অনুষ্ঠানটি দুইভাগে পরিচালিত হবে। প্রথম ভাগে সকালে স্থানীয় শিল্পী গান পরিবেশন করবেশন। বিকেলে অতিথিরা বক্তব্য রাখবেন এবং সবশেষ লালন ব্যান্ড গান পরিবেশন করবেন।

কিন্তু এই আয়োজনটি শুক্রবার জুমআর দিনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই জুমআর দিনে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে ভালোভাবে নিতে পারছেন না। বিশেষ করে কলেজের পাশেই রয়েছে মসজিদ। মসজিদকে পাশে রেখে জুমআর দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

বিগত সময়ে সরকারি তোলারাম কলেজের নবীন বরণ বরণ বৃহস্পতিবার আয়োজন করা হতো। অনুষ্ঠানের পরদিন ছুটি থাকতো। শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবেই নিতেন। কিন্তু এবারের শুক্রবার ছুটির দিনে জুমআর দিনে আয়োজন ভালোভাবে নিতে পারছেন না।

নবীন বরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক করা হয়। আর এ বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অনুষ্ঠানে আয়োজন নিয়ে তেমন প্রভাব না পড়লেও বাধ্যতামূলক করার বিষয়টিকে শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না। যদিও বাধ্যতামূলক উপস্থিতিকে শিথিল করা হয়েছে। সেই সাথে শিক্ষার্থীরা ইচ্ছা করলে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নাও করতে পারবেন। তাদের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

কলেজের অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার নবীন বরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করার কোনো ইচ্ছা ছিলো না। কিন্তু এখন কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলমান রয়েছে। যার কারণে কর্মদিবসে অনুষ্ঠানের আয়োজন করার সুযোগ নেই। আমরা চেয়েছিলাম শনিবার নবীন বরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য। কিন্তু এদিনও আমাদের অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন না। তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম রয়েছে। যার কারণে আমরা বাধ্য হয়েই শুক্রবার নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হচ্ছে। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে নবীন বরণকে কেন্দ্র করে।