মালঞ্চ পরিবহন থেকে চাঁদাবাজির ঘটনায় ৪ চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
বুধবার ২২ জুলাই রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ও মিজমিজি এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মো. সাখাওয়াত হোসেন সৈকত (৪০), মো. সেন্টু (৪০), মো. রবিন (৩৫), মো. ইউসুফ (২৬)।
পুলিশ জানায় গত ২৬ মে সকাল সাড়ে ৭টায় মালঞ্চ পরিবহনের ড্রাইভার আমিনুল ইসলাম এবং হেলপার নজরুল ইসলাম তাদের বাস নিয়ে জামালপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ আসার সময় সিদ্ধিরগঞ্জ সানারপাড় ইউটার্নে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর পৌঁছামাত্র ৭-৮ জন মোটরসাইকেল এর মাধ্যমে রাস্তা বন্ধ করে বাসটি থামিয়ে ড্রাইভার ও হেলপারকে এলোপাতাড়ি চড়, থাপ্পড়, কিল, ঘুসি মেরে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে এবং চাঁদাদাবি করে। ড্রাইভার ও হেলপার চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে জোরপূর্বক তাদের কাছে থাকা বাসের নগদ ৯ হাজার ৫০০ টাকা, রিংসহ ১ টি স্পেয়ার চাকা, ও গাড়ির কাগজপত্র এবং একটি টেকনো কোম্পানির স্মার্ট ফোন নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে উক্ত ঘটনায় মালঞ্চ পরিবহনের পরিচালক গোলাম মোস্তফা রানা (৫৬) সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করলে একটি চাঁদাবাজি ধারায় মামলা দাযের করেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে মো. সাখাওয়াত হোসেন সৈকত (৪০) এর বিরুদ্ধে জিএমপি, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও নরসিংদী জেলায় হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজি, দস্যুতার অপরাধে ৬টি মামলা, মো. সেন্টু (৪০) এর বিরুদ্ধে ১টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা, মো. রবিন (৩৫) এর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, ডাকাতির অপরাধে ৬ টি মামলা এবং মো. ইউসুফ (২৬) এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দ্রুত বিচার আইনের ২টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ও পরিবহন চাঁদাবাজ। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকাসহ আশপাশ এলাকার সড়ক ও মহাসড়কে চাঁদা আদায় করে আসছিলো।


































আপনার মতামত লিখুন :