এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন মাসুদুজ্জামান মাসুদ। মডেল গ্রুপের কর্নধার মাসুদুজ্জামান মাসুদ এই ব্যবসায়ী নেতা খুব অল্প সময়েই নারায়ণগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে আলোচনায় উঠে এসেছিলেন। জাতীয় সংদস নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার পর তিনি পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে মাঠে নামেন। তবে একই পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে মাঠে নামেন বিএনপির আরেকজন নেতা। তিনি হলেন আড়াইহাজারের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম। মেয়র পদে তার নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে মাঠে নামার পর পরই রাজনৈতিক অঙ্গণে অনেকটা মিইয়ে গেছেন মাসুদুজ্জামান মাসুদ।
কারণ এর আগে সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যে সকল আলোচিত নেতারা মাসুদুজ্জামানের সাথে পথচলা শুরু করেছিলেন, সেই সকল নেতাদের এখন সর্বদা দেখা মিলে রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সাথে। তার ঘোষিত সকল কর্মসূচিতেই মহানগর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় সকল নেতাদের উপস্থিত হতে দেখা যায়।
পাশাপাশি রাকিবুল ইসলাম মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সামাজিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছেন। এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের সেবা প্রদান, অসুস্থ দলীয় কর্মী পাশে আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা পৌছে দিয়ে ইতোমধ্যে নগরীতে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
এরমধ্যে নতুন করে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ২৭টি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাকিবুল ইসলাম।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিটি নির্বাচনকে ঘিরে মেয়র সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে মাসুদুজ্জামান মাসুদ যে গতি নিয়ে মাঠে আবারো সক্রিয় হতে শুরু করেছিলো রাকিবুল ইসলাম রাকিবের মাঠে নামার পর সেটা অনেকটাই মিইয়ে গেছে। মাসুদুজ্জামান মাসুদ যেভাবে নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ গুছিয়ে ছিলেন সেটা এখন রাকিবের দিকে চলে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত রাকিব এবং মাসুদুজ্জামানের মধ্যে বিরোধ চোখে পড়েনি।


-20260522173818.jpg)

































আপনার মতামত লিখুন :