বন্দরে আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসার বিরোধের জেরে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ২ সন্তানের জনক জুয়েলকে (৪৩) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই সোহেল রানা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে ৯ জনের নাম উল্লেখ ও আরো ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে গত বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে তানজিদ (২০) নামে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত হত্যাকারি তানজিদ বন্দর থানার ২১ নং ওয়ার্ডের সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকার আতিকুজ্জামান ওরফে আশিক মিয়ার ছেলে।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে উল্লেখিত মামলায় ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
হত্যা মামলার আসামীরা হলো বন্দর থানার ১৯ নং ওয়ার্ডের মদনগঞ্জ সৈয়ালবাড়ি ঘাট এলাকার আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে সিমান্ত (২৪), একই এলাকার নাদিম মিয়ার ছেলে রাকিবুল ইসলাম (২৩), একই এলাকার গুন্ডা খোকন (৩৮), একই এলাকার ইসমাঈল মিয়ার ছেলে ইশাত (২৩) ও একই এলাকার ইনসান (২৪), একই থানার মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকার মোশারফ মিয়ার ছেলে ফাহিম (২২), একই এলাকার মৃত রফিক মিয়ার ছেলে আশিক (২৪) ও তাওলাদ মিয়ার ২ ছেলে টিটু (৩৫) ও আল আমিন (৪২)।
মামলার বাদী সূত্রে জানা গেছে, নিহত জুয়েল একজন ব্যবসায়ী। আমার ভাইয়ের সাথে একই এলাকার তাওলাদ মিয়ার ২ ছেলে মামলার ৮নং আসামী টিটু ও তার বড় ভাই আল আমিনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল। হত্যাকান্ডের ঘটনার কিছু দিন পূর্বে ৮নং বিবাদী টিটু ও ৯নং বিবাদী আল আমিনসহ অন্যান্য আসামীগন আমার ছোট ভাইকে মারধর করার হুমকি দামকি প্রদর্শনসহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল। এর ধারাবাহিকতা গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আমার ছোট ভাই জুয়েলকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর সেলিম মোল্লার জমিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তানজিদ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে।


-20260522173818.jpg)





































আপনার মতামত লিখুন :