নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুর বিরুদ্ধে নারী আইনজীবীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে অকথ্য ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজেরও অভিযোগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবীর কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনের সামনে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমেনা আক্তার শিল্পীর সাথে অ্যাডভোকেট রফিক আহমেদের সাথে তর্ক বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে অ্যাডভোকেট রফিক আহমেদ ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু আমেনা আক্তার শিল্পীর উপড় চড়াও হন। সেই সাথে তাকে কিল ঘুষি মারে এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে অন্যরা এসে পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট আমেনা আক্তার শিল্পী বলেন, আমি আইনজীবী সভাপতি ও সাথারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলে আইনজীবী সমিতির ভবনের সামনে থেকে দুইজন মহিলা হকারকে সরিয়ে দূরে বসতে বলি। সেই ঘটনার জের ধরে অ্যাডভোকেট রফিক আহমেদ আমাকে জিজ্ঞস করেন আমি কেন সরিয়ে দিয়েছি? আমি বলি আমি একা সরায়নি। আপনার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে কথা বলেন। এভাবে কথা বলার এক পর্যায়ে অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অকথ্য ও অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়ে আমাকে ঘুষি মারে।
এদিকে অভিযোগে আমেনা আক্তার শিল্পী উল্লেখ করেন, অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু তাকে অকথ্য ও অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়ে শিনায় ঘুষি মারে। কয়েকবার আইনজীবীদের মোটা ডাইরী ও ব্যাগ ছুরে মারে। অ্যাডভোকেট রফিক আহমেদ অকথ্য ও অশ্রাব্য ভাষায় গালি দেয় এবং আইনজীবী সমিতির আইনজীবী ও মোক্কেলদের সামনে মারার জন্য তেড়ে আসে। অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু অন্যান্য আইনজীবীদের সাথেও প্রায়শই দুর্ব্যবহার করে ও গায়ে হাত তুলে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান বলেন, এরকম একটি ঘটনা শুনেছি। অভিযোগ পেলে এই ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


-20260522173818.jpg)

































আপনার মতামত লিখুন :