News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

আমাকে লক্ষ্য করা গুলিতে শাওন মারা যায় : এমপি মান্নান


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | সোনারগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম আমাকে লক্ষ্য করা গুলিতে শাওন মারা যায় : এমপি মান্নান

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ এই নারায়ণগঞ্জ থেকেই জ্বলে উঠেছিল। তৎকালীন সময়ে আমাকে লক্ষ্য করে চালানো গুলির মুখে নেতাকর্মীরা মানবঢাল তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেছিলেন। আমার মাথার উপর দিয়ে যাওয়া সেই গুলিটি শাওনের শরীরে বিদ্ধ হলে সে রাজপথেই লুটিয়ে পড়ে প্রাণ হারায়। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি সেই সময়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এমপি মান্নান বলেন, জুলাই বিপ্লবে আত্মদানকারী প্রতিটি যোদ্ধার প্রতি জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। যারা দেশের জন্য অকাতরে জীবন দিয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তাদের পাশে আমরা অতীতে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকব।

সোনারগাঁয়ে জুলাই আন্দোলনে হতাহতদের সরকারি সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সোনারগাঁয়ে ৩ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন এবং অসংখ্য ছাত্র ও নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের তালিকা উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত আছে। সরকারি যেসব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, সেগুলো পাওয়ার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবার ও আহতরা যেন অগ্রাধিকার পায়, তা আমি নিশ্চিত করব।

স্মরণসভা শেষে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, জামায়াত নেতা খোরশেদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সোনারগাঁ শাখার সভাপতি ফারুক আহমেদ মুন্সী, জাতীয় যুব শক্তির যুগ্ম আহবায়ক তুহিন মাহমুদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল ও কাউসার আহমেদসহ স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।