নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভুঁইয়ার দেয়া ডিও এর কারণে নতুন করে আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ তীর্থস্থান লাঙ্গলবন্দ। তীর্থস্থানটি বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থিত। অবস্থানগত দিক থেকে এটি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের আওতাধীন হলেও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য দিপু ভুঁইয়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর একটি চাহিদা পত্র প্রেরণ করেন।
চলতি বছরের ২২ জুলাই এমপি দিপু ভুঁইয়া প্রধানমন্ত্রী বরাবর লাঙ্গলবন্দে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ ও আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন তীর্থ ও ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দাবি করেন।
উক্ত চিঠির প্ররিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় হতে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে লাঙ্গলবন্দ সম্পর্কিত প্রতিবেদন চেয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, সংসদীয় আসন-২০৪, নারায়নগঞ্জ-০১, লাঙ্গলবন্দে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ ও আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন তীর্থ ও ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন।
এমতাবস্থায়, লাঙ্গলবন্দে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ ও আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন তীর্থ ও ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ডিওপত্র অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন এ কার্যালয়ে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
পরবর্তীতে ১৮ আগস্ট বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরি স্বাক্ষরিতে এক চিঠিতে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানকে উক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
যুগ্ম সচিব স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, লাঙ্গলবন্দে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ ও আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন তীর্থ ও ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে প্রাপ্ত ডিওপত্রটির বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক এ বিষয়ে গৃহিত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
লাঙ্গলবন্দের উন্নয়নে মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভুঁইয়ার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা। সেই সাথে লাঙ্গলবন্দে বসাবসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনও দিপু ভুঁইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের দাবি লাঙ্গলবন্দ যেহেতু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি ধর্মীয় তীর্থস্থান তাই ধর্মীয় বিষয়টি প্রধান্য দিয়েও যেন এখানে পর্যটন কেন্দ্রটি করা হয়। তবে সেটি যেন আন্তর্জাতিক মানের হয়। কারণ এখানে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ সহ বিভিন্ন দেশ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়রে পুন্যার্থীরা আসেন। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ পুন্যার্থীর সমাগম ঘটে থাকে।



































-20260912144331.jpg)





আপনার মতামত লিখুন :