News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

৩০০ শয্যা হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১০:২০ পিএম ৩০০ শয্যা হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন

খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, জেলার সব থেকে বড় সরকারি হাসপাতাল। ধনীর জেলা নারায়ণগঞ্জে এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসে। কিন্তু হাসপাতালটিতে সেবা নিতে আসা রোগীদের যেন ভোগান্তির শেষ নেই। হাসপাতালের দালালদের দৌরাত্ম্যের গল্প নতুন নয়। সেই সাথে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের একটি অংশ প্রতিষ্ঠানটির অব্যবহৃত সরঞ্জামের গোডাউনে পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের কর্মকর্তাদের জন্য নতুন করে ৪টি এসি বাসানো হয়েছে যার আউটার হাসপাতালের ভেতরেই বসানো হয়েছে। ফলে সেবা নিতে আসা রোগীদের সেই আউটারের গরম সহ্য করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।

হাসপাতালটিতে ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত বলা হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে ডেঙ্গুর পার্দুভাব ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু হাসপাতালের ভেতরে এবং পেছনের অংশের চিত্র দেখলে মনে হবে হাসপাতালটিই যেন ডেঙ্গু মশার প্রজনন ক্ষেত্র।

হাসপাতালের রোগীদের ওয়ার্ডের পাশেই ড্রেনের ময়লার দুর্গন্ধ। ড্রেন থেকে ময়লা বাইরে চলে এসেছে। পেছনের অংশে মেডিকেল বর্জ্য সহ রোগীদের ফেলা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যেখানে মাছির অবাদ বিচরণ লক্ষ্য করা গেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হতে রোগীরা এমন পরিবেশে আরো বেশি অসুস্থ হবে কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে হাসপাতালের চিকিৎসা তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আবুল বাশার বলেন হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ভেতরে যে পরিত্যক্ত আসবাবপত্র রয়েছে সেগুলো বিক্রির জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এগুলো নিয়ে যাওয়া হবে।

হাসপাতালের আশে পাশে জমে থাকা নোংরা পানি এবং ড্রেনের স্লার্ব খোলা থাকার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ড্রেন পরিস্কারের বিষয়টি সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব। তারা চেষ্টা করছেন। আর কিছু স্লার্ব খোলা আছে এগুলো সত্য।

তবে ড্রেনের পানিতে ডেঙ্গু মশার জন্ম হয়না দাবি করে তিনি বলেন, হাসপাতালের ভেতরে নোংরা পানি জমেছে পেছনে দিকে এটা সত্য তবে এখানে ডেঙ্গু মশা জন্মাবে না। কারণ চলন্ত এবং নোংরা পানি থেকে ডেঙ্গু জন্ম নেয়না। ড্রেনের পানি চলন্ত এখানে ডেঙ্গু মশা জন্মানোর সুযোগ নাই। ডেঙ্গু মশা জন্ম নেয় জমে থাকা পরিস্কার পানি থেকে।

হাসপাতালের পেছনের অংশ মেডিক্যাল বর্জ্যরে ব্যাপারে তিনি বলেন, পেছনে যে ডাস্টবিনটা রয়েছে সেখানে ময়লা আবর্জনা রয়েছে ঠিক কিন্তু সেগুলো মেডিকেল বর্জ্য না। মেডিকেল বর্জ্য বাইরে ফেলা হয়না সেগুলো কেউ দেখেও না। সেখানে হয়তো সিরিঞ্জ, বা অন্যান্য জিনিসের প্যাকেট রয়েছে। মেডিকেল বর্জ্য প্রতিদিনের টা প্রতিদিন ঢাকা থেকে গাড়ি এসে নিয়ে যায়।