News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

ব্রহ্মপুত্র নদ বাঁচাতে প্রতিবাদ সভা


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম ব্রহ্মপুত্র নদ বাঁচাতে প্রতিবাদ সভা

আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ঐতিহাসিক তীর্থস্থান লাঙ্গলবন্দ রাজঘাটে পবিত্র ব্রহ্মপুত্র নদ রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৩টায় পরিবেশবাদী সংগঠন পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি (ESADS) ও পরিবেশ ও নদী রক্ষা উন্নয়ন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মীযানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক শিপন সরকার শিখন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিপন সরকার শিখন বলেন, লাঙ্গলবন্দ শুধু একটি নদীর ঘাট নয় এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর চৈত্র মাসে দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষাধিক পূণ্যার্থী এখানে এসে পবিত্র ব্রহ্মপুত্র নদের পুণ্যস্নানে অংশ নেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও অসাধু ব্যবসায়ীদের দূষণের কারণে এই পবিত্র নদী আজ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

তিনি বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করা শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব নয়, এটি ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্বও। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, একটি নদী শুধু পানির ধারা নয় এটি একটি সভ্যতার প্রাণ। ব্রহ্মপুত্র নদ আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য ও দূষণে নদীটির স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি ব্রহ্মপুত্র নদকে দূষণমুক্ত রাখতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সহসভাপতি তিলতমা দাস এবং রাজঘাট মন্দিরের পুরোহিত নিহারঞ্জন কর্তা গুরুদেব।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইমরান, হামীম, আল আমিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে শপথ উচ্চারণ করেন “সবাই মিলে গড়বো দেশ, দূষণমুক্ত বাংলাদেশ।”