৫ এপ্রিল মঙ্গলবার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ ফরহাদ হোসাইন এক বিবৃতিতে বলেন, উৎসব বন্ধন সিন্ডিকেটে বন্দী নারায়ণগঞ্জের জনগণ তারা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রোডের অদৃশ্য পরিবহন মাফিয়া। ঠুনকো কারণে বাস ভাড়া বৃদ্ধি তাদের পুরোনো অভ্যাস। এই রুটে উৎসব ও বন্ধন বাস এর পূর্বের ভাড়া ছিলো ৩০টাকা, পরবর্তীতে ফ্লাই ওভার হওয়ার পরে তারা ৬টাকা বৃদ্ধি করে। এরপর থেকে তেলের মূল্য বৃদ্ধির ঠুনকো অযুহাতে তারা সরকার নির্ধারিত ভাগার চেয়ে বেশি বাড়াতে থাকে সর্বশেষ আওয়ামী লীগের আমলে তারা তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরে ভাড়া বাড়িয়ে ৫৫টাকা করে ফেলে কিন্তু তেলের মূল্য কমানোর পরেও তারা ভাড়া কমায়নি।
সর্বশেষ ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের পরে ছাত্র জনতার দাবী ও আন্দোলনের কারনে তারা ৫টাকা কমানোর পরে আবার পুনরায় ৫টাকা ভাড়া বাড়িয়ে ৫৫টাকা করেন যা অযৌক্তিক এবং জুলুমের শামিল।
তারা আরো বলেন, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত ২৩ এপ্রিল সরকার দেশে গণপরিবহনের ভাড়া পুনঃনির্ধারন করেছে। সেই নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মূল ভাড়ার ৫.১৯ শতাংশ। আমরা হতবাক হলাম যে ঢাকা নারায়ণগঞ্জের বাসের ভাড়া ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করেছে। সরকার নির্ধারিত ভাড়া অনুসারে মালিকদের হিসেব অনুযায়ী ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুট সাড়ে উনিশ কিলোমিটার যার ভাড়া ভাড়ে ২ টাকা ১৮ পয়সা, সেখানে বেশি নিচ্ছেন ২ টাকা ৮২ পয়সা, কিন্তু আমাদের হিসেব অনুযায়ী ১৮ কিলোমিটার ধরে ভাড়া ভাড়ে ১ টাকা ৯৮ পয়সা। কিন্তু পরিবহন মালিকরা জনগনের কাছ থেকে ৫৫ টাকা নিচ্ছেন, অর্থাৎ জনগনের কাছ থেকে তাদের হিসেব অনুযাযী ২ টাকা ৮২ পয়সা বেশি নিচ্ছেন এবং আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৩ টকা ২ পয়সা বেশি নিচ্ছেন, যা অযৌক্তিক বলে আমরা মনে করি।
বাস মালিকরা জনগনের প্রতিনিধিদের সাথে কোন আলাপ আলোচনা না করে একতরফা ভাবে নিজেরা সিদ্ধান্ত নেন যা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অনতিবিলম্বে এই বাস ভাড়া বৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে।






































আপনার মতামত লিখুন :