নারায়ণগঞ্জ মহানগর হেফাজত ইসলামীর পাল্টা কমিটি প্রসঙ্গে হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেছেন, আমরা যখন কমিটি ঘোষণার দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তখন আমাদের কিছু ভাই পাল্টা মহানগর কমিটি ঘোষণা দিয়েছিলেন। আমরা তাদের সে কমিটির প্রতি কোনো কর্ণপাত করিনি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন বিকেলে শহরের ঐতিহাসিক ডিআইটি মসজিদ প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা ও মহানগরীর পৃথক দুটি কমিটি ঘোষণা করা হয়।
মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা যারা ছিলেন তারা এসে যেভাবে জেলা কমিটি এবং মহানগর কমিটি উপহার দিয়ে গেছেন তার বিপরীতে ভিন্ন কেউ নতুন করে কমিটির ঘোষণা দিবে এটা তেমন গ্রহণযোগ্য হয়নি। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি না। আমরা চেষ্টা করবো তারা যেন তাদের ভুল বুঝে চলে আসুক; ভুল স্বীকার করে আসলে তাদের নিয়ে কাজ করতে আমাদের বাধা নেই।
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মুফতী বশীরুল্লাহ বলেন, কিছু বিতর্কিত আমাদের ভিতরে আমাদেরই লোক তারা আছে। হেফাজত কাউকে বাদ দেয় না। তবে সংশোধন চায়। সংশোধন হওয়ার পর সবাইকে নিয়ে পথ চলবো এটাই ইসলাম। ইসলামে তওবার দরজা বন্ধ হয়না। ভুলভ্রান্তি হয়ে গেলে ভুলের শেষ হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আমাদের ছোট ভাই তাদের অভিমান থাকতেই পারে। তবে আমরা বিখ্যাত মাদরাসার শীর্ষ পর্যায়ের উলামে কেরামদের নিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সবাইকে নিয়েই পথচলার চেষ্টা করবো।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট নারাণগঞ্জ জেলা ও মহানগর হেফাজত ইসলামের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে এই কমিটির ঘোষণার পর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর রাত ৯টার দিকে ফতুল্লার জামতলা এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাল্টা কমিটি ঘোষণা করেন হেফাজতে ইসলাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী প্রচার সম্পাদক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান। সাত সদস্যের ওই কমিটিতে মাওলানা কামাল উদ্দিন দায়েমীকে সভাপতি এবং মাওলানা তাজুল ইসলাম আব্বাসকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিলো।







































আপনার মতামত লিখুন :