বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিবানী সরকার বলেছেন, প্রত্যেকটা মাদকের শুরু হচ্ছে ধূমপানের মধ্য দিয়ে। প্রত্যেকটা মাদকসেবী শুরু হয় কৌতূহলের মাধ্যমে। পৃথিবীতে যে সব কৌতুহলের নির্বারণ করতে হবে তাই নয়। মারা যাবার পর কি হতে পারে একটা কৌতুহল রয়েছে, তাতে কি আমরা কি মারা যাবো। হাত-পা ভাঙ্গা হলে কি হয় তার অনুভব করার জন্য আমরা হাত-পা ভেঙ্গে ফেলবো। যে কৌতূহল আমাদের জন্য ক্ষতিকারক সেই কৌতূহল আমাদের প্রয়োজন নেই। যে বন্ধু আমাদের ধূমপানে উৎসাহ করে সে রকম বন্ধু আমাদের বন্ধু নয়। জীবন কিন্তু আমাদের ছোট নয়। ছাত্র জীবনটা যদি কোন নেশাগ্রস্থ না হয় তাহলে ভবিষ্যতে নেশা তাকে ছুইতে পারবে না। কারণ বড় হয়ে নেশা বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে তার শরীর পুরো সাপোর্ট করবে।
বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের মিলনায়তনে বন্দর উপজেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মাদকের সচেতনতার উদ্দেশ্য আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের সঞ্চালয়নায় বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি মাজহারুল আলম খান পাভেলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মামুন মিয়া, বন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর কাইয়ূম খান, বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য মেহেদী হাসান সজীব, বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, বন্দর গালর্স স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ও বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর ইসলাম জাহিদ।
বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি মাজহারুল আলম খান পাভেল বলেছেন, এই বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের অনেক শিক্ষার্থী দেশের বড় বড় আমলা ও কর্মকর্তা সহ তিন বাহিনীতে চাকরি করেছেন। শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তার পুলিশ ইউএনও হয়েছে তোমার জানো তো। মাদকাসক্ত কোন ছেলে গোল্ডেন রেজাল্ট করতে পারবে না। সিগারেট খাওয়াকে এখন অনেকে শিক্ষার্থী স্মার্ট বলে। আসলে ওরা স্মার্ট নয় তারা পরিবার দেশের ক্ষতিকারক। তাই আমাদের সকলকে মাদককে না বলতে হবে। একই সাথে সিগারেটকে কখনো হাত দিয়ে ধরবো না।







































আপনার মতামত লিখুন :