চব্বিশের ৬ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও সরকার পরিবর্তনের পরের দিন নারায়ণগঞ্জে নিরাপত্তাহীন মন্দির ও সংখ্যালঘু উপাসনালয় রক্ষায় মাঠে নেমেছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতা। পরবর্তিতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী সহ ছাত্র-জনতা ছিলেন নিরাপত্তা পহারায়। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের অফিস ডাকবাংলোতে পহারায় ছিলো যুবদল ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দরা। টানা তাদের অবস্থানে কোন বিশৃঙ্খলা ঘটনা ঘটেনি।
ছাত্র-জনতা আন্দোলনের মুখে নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীদের দেখা যায়নি। বিজিবি টহল দিলেও শৃঙ্খলা ছিলো চারিদিকে। যার কারণে পুলিশের অনুপস্থিতি ও অন্তর্বতীকালীন ব্যবস্থা আসার আগ পর্যন্ত সাধারণ জনতা ও ছাত্ররা মিলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষা করেন। ৫ আগস্টের রাত্র থেকে বিভিন্ন মন্দির ও সংখ্যালঘু পাড়ায় কোনো ধরনের হামলা বা ভাঙচুর ঠেকাতে স্থানীয় যুবকরা ও ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা পাহারা বসান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জে মন্দির সহ সংখ্যালঘুদের উপাসনালয় পাহারায় ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলনের দায়িত্বশীলবৃন্দ। মাসুম বিল্লাহ জানান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অনুপস্থিতিতে যাতে কোন দুষ্কৃতিকারী কোন দুর্ঘটনা ঘটাতে না পারে। কারণ বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ। সকল ধর্মাবলম্বীদের অবাধ বিচরণের স্থান বাংলাদেশ। ইসলাম ধর্ম সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করতে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন মন্দির পাহারা দিয়ে ছিলেন। এদিকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় যানবাহনের শৃঙ্খলার জন্য ট্রাফিক কন্ট্রোল এবং ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করছে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মী।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের ডাকবাংলো পাহারায় ছিলেন মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দরা। আহবায়ক মনিরুল ইসলাম সজলের নিদের্শনায় সদর থানা যুবদল নেতা রাফিউদ্দিন রিয়াদ ও সাইফুল ইসলাম আপনের নেতৃত্বে অর্ধশর্তাধিক নেতা-কর্মীরা অন্তবর্তী সরকার গঠনের পরও নিয়োজিত ছিলো।





































আপনার মতামত লিখুন :