ভারতে মুসলমানদের ওপর উগ্র হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন, মসজিদ-মাদরাসায় হামলা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) বাদ জুমা বন্দর থানা ওলামা পরিষদের উদ্যোগে মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
বন্দর ওলামা পরিষদের সভাপতি এম এ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর যে অমানবিক নির্যাতন ও ধর্মীয় অবমাননা চলছে, তা বিশ্ব মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। অবিলম্বে এসব নির্যাতন বন্ধ করতে হবে এবং ভারতের মুসলমানদের জানমালের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।
জাতিসংঘ ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়ে সমাবেশে মুফতি নুরুদ্দিন আন্তর্জাতিক মহল ও জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, "ভারতে মুসলমানদের কোরবানিসহ সকল ধর্মীয় উৎসব পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। অন্যথায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে জাতিসংঘ কার্যালয় ঘেরাওয়ের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"
কড়াইবাড়ী মাদরাসার পরিচালক মুফতি ফয়জুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কোরবানি দিতে বাধা প্রদান, পশুর বয়স নিয়ে অযৌক্তিক শর্ত আরোপ এবং কোরবানি দাতাদের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এসব বন্ধ না হলে মুসলিম উম্মাহ হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।"
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা মদনপুরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মুফতি ইব্রাহিম খলিল, মুফতি ইসমাইল হোসাইন, মুফতি আবু সাঈদ, মুফতি সুজাউল ইসলাম, মুফতি হুজাইফা মাহমুদ, আলমগীর হোসেন আপেল, ছাত্রনেতা মিনহাজ ভূঁইয়াসহ স্থানীয় আলেম-ওলামাবৃন্দ।
মিছিল থেকে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং বিশ্বজুড়ে নির্যাতিত মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।


-20260522173818.jpg)







































আপনার মতামত লিখুন :