বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সংস্কৃতি শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; সংস্কৃতি মানুষের চিন্তা, চেতনা ও মূল্যবোধ গঠনের অন্যতম শক্তি। শোষণ-বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ করতে সংস্কৃতিকে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথকে কেবল কবি, সাহিত্যিক ও সংগীতস্রষ্টা হিসেবে স্মরণ করলে তাঁর প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হবে না। তাঁর সাহিত্য, শিক্ষা ও সমাজচিন্তার মধ্যকার মানবতাবাদ, মুক্তবুদ্ধি, অসাম্প্রদায়িকতা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও মানুষের মর্যাদার আকাঙ্ক্ষাকে আজকের সমাজ বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করে দেখতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক প্রদীপ সরকার এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব জামাল হোসেন।
প্রধান আলোচক ছিলেন চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কামরুজ্জামান ভূইয়া।
আলোচনা করেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, প্রগতি লেখক সংঘের সদস্য বিমল কান্তি দাস, সাংস্কৃতিক কর্মী জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য বেলাল হোসাইন প্রমুখ।
বক্তারা রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও মানবতাবাদী চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শোষণ-বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে গণমুখী সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।







































আপনার মতামত লিখুন :